| ১. জীবনমানের উন্নয়ন
আয় বৃদ্ধির ফলে খাদ্য, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবায় উন্নতি ঘটে।
২. বেকারত্ব হ্রাস
নিজস্ব উদ্যোগে কাজ করার সুযোগ তৈরি হওয়ায় বেকারত্ব কমে।
৩. নারীর সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধি
নারী আয়ের অংশীদার হওয়ায় পরিবার ও সমাজে তার অবস্থান শক্তিশালী হয়।
৪. শিক্ষায় অংশগ্রহণ বৃদ্ধি
পরিবারের আয় বাড়ায় শিশুদের স্কুলে পাঠানো সহজ হয়।
৫. সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি
স্বাস্থ্য, পরিচ্ছন্নতা ও পারিবারিক পরিকল্পনা বিষয়ে সচেতনতা বাড়ে।
৬. সামাজিক বৈষম্য হ্রাস
অর্থনৈতিক সুযোগ বাড়ায় ধনী–গরিবের ব্যবধান কিছুটা কমে। |