| ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রমে ঋনের কিস্তি, সঞ্চয় ও ডিপিএস এর টাকা বকেয়া পড়া একটি সাধারন ঘটনা। প্রতিটি ক্ষুদ্র ঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের উচিৎ বকেয়া আদায়ের ক্ষেত্রে ভুল পদক্ষেপ গ্রহন করা। বকেয়া আদায়ের ক্ষেত্রে ভুল পদক্ষেপে গ্রহন করলে বকেয়া তো কমেই না বরং আরো বকেয়া বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রমে বকেয়া হ্রাস করার জন্য যে সকল ভুল পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয় তা নিম্নে দেওয়া হলঃ
১। পকেট কিস্তিঃ পকেট থেকে টাকা নিয়ে বকেয়া আদায় করা। কর্মী পকেট থেকে বকেয়া টকা দিলে বকেয়া আরও বৃদ্ধি পাবে। কারন যে কর্মী পকেট দিয়েছেন সেটা আদায় করার জন্য পুর্নরায় আবার তাকে ঋণ দিবে এবং আর্থিক অনিয়ম বৃদ্ধি পাবে।
২। এক সদস্যের কিস্তির টাকা দিয়ে অন্য সদস্যের বকেয়া হ্রাস করাঃ কিস্তির টাকা দিয়ে অন্য সদস্যের বকেয়া হ্রাস করা হলে বকেয়া বৃদ্ধি পাবে এবং প্রতিষ্ঠানে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হবে।
৩। রিশিডিউল করাঃ রিশিডিউল করে ঋণ দিলে উক্ত সদস্যের কোন লাভ হয়না সেই কারনে বকেয়া হ্রাস না পেয়ে বকেয়া বৃদ্ধি পাবে।
৪। ক্যাশ বকেয়া রাখাঃ ক্যাশ ডিউ রেখে বকেয়া দেখানো হলে উক্ত সদস্য সুবিধা নিতে থাকে যার ফলে বকেয়া বৃদ্ধি পাবে।
৫। সঞ্চয় সম্বনয়ঃ ঘন ঘন সঞ্চয় সম্বনয় করা হলে এক সময় ঐ সদস্য বকেয়া গ্রস্থ হবে।
৬। বকেয়া হ্রসা করার পরিকল্পনাঃ অবাস্তব পরিকল্পনা করার ফলে বকেয়া হ্রাস না পেয়ে বকেয়া বৃদ্ধি পায়।
৭। এক তরফা দোষারোপঃ কর্মীদের এক তরফা দোষারোপের ফলে বকেয়া আদায় হ্রাস পায়। |